Monday, February 19, 2018

একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে কয়েকটি সোজসুজি প্রশ্ন... Some direct questions from an ordinary citizen of India to Prime Minister of India

লেখিকা শ্রীমতি শ্রীপর্ণা রায়
নরেন্দ্র মোদীর চার বছরের "রাম রাজত্বে" দেশের সাধারণ মানুষের সারা জীবনের সঞ্চয়ের ৩৫ হাজার কোটি টাকা পাঁচ জন শিল্পপতি দেশের মাটি থেকে বিদেশে চালান করে বহাল তবিয়তে বিদেশেই জমিয়ে বসেছেন.... 

১. ললিত মোদী .... ৭০০০ কোটি টাকা 
২. বিজয় মাল্য.... ৯০০০ কোটি টাকা 
৩. জতিন মেহতা...৬,৭০০ কোটি টাকা 
৪. নীরব মোদি... ১১,৫০০ কোটি টাকা 
৫. বিক্রম কোঠারী... ৮০০ কোটি টাকা


একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে কয়েকটি সোজসুজি প্রশ্ন... 

১. চার বছর আপনি ৮০ টি দেশ ঘুরেছেন আমাদের মতন সাধারণ দেশবাসীর করের টাকায়, অনেক ভাষন দিয়েছেন বিদেশের মাটিতে, অনেক ছবি/সেল্ফি তুলেছেন সেইসব দেশের রাষ্ট্রনায়কদের সাথে.... কিন্তু ভারতবাসীর টাকা মেরে যারা বিদেশে পালিয়ে গেলো আপনার জমানায় তাদের দেশে ধরে আনতে আপনি পারলেন না... তাহলে এত ঢক্কানিনাদ করে আপনার বিদেশ সফরের প্রয়োজন কী...?? আপনি বিদেশ থেকে দেশের কালো টাকা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সে তো দূর অস্ত, আপনি মশাই দেশের সাদা টাকা লুট হওয়াই রুখতে পারেন না, লুটেরাদের ধরে আনতে পারেন না... তাহলে আমাদের টাকা খরচ করে আপনার বিদেশ সফর কী এইসব লুটেরাদের আশ্রয় নেওয়ার নিরাপদ দেশ খোজার জন্য ...?? 

২. কী করে আপনার প্রধানমন্ত্রীর অফিস...?? প্রতিটি লুটেরার বিরুদ্ধে অভিযোগ আপনার দপ্তরে জমা পড়ার পরও কীভাবে এরা দেশ ছেড়ে পালাতে সক্ষম হয়...?? আপনার সাথে বিদেশে ছবি তোলার সাহস পায়...?? আপনার অফিস কী শুধু " মন কী বাত" আর আপনার ঝুটা ইমেজ বিল্ডিং এর জন্য...?? গুজরাট থেকে সব পছন্দের অফিসারদের এনে বসিয়েছেন নিজের অফিসে শুধু কী লুটেরা ছোটা-মোটা ভাইদের সেফ এস্কেপ রুট তৈরী করে দেওয়ার জন্য আর ২০১৪ সালের ৩ ডি ডিজিটাল "মোদী চালিশা" প্রচারের ৫০০০ হাজার কোটি টাকার কৃতজ্ঞতা স্বীকার করার জন্য...?? দেশবাসী আজ জানতে চায় মোদীজী....?? আপনার জবাব চাঁই...?? 

৩. আপনার সি বি আই, আপনার ই ডি , আপনার এস এফ আই ও, আপনার সেবি , আপনার আর বি আই.... কী কাজ করে...?? ঘটনা ঘটার পর যখন লুটেরা দেশের মাটি ছেড়ে বিদেশের মাটিতে পৌছান তখন নিশ্চিন্ত মনে প্রেস কনফারেন্স করে ঘটনার ইতিহাস ভুগোল বলেন তারা, তল্লাশী করেন লুটেরাদের প্রায় ফাঁকা করে নিয়ে যাওয়া বাসস্থান, কারখানা, দোকান ইত্যাদিতে , দু চারজন চুনোপুটি কর্মচারীকে গ্রেফতার করেন, আর এমন ভাবসাব দেখান যেনো কেস একেবারে তাদের হাতের মুঠোয়... তাহলে অভিযোগ জমা পড়ার পর কোন কেমিস্ট্রিতে তারা চুপ থাকেন...?? সব কিছু লুটেরারা কীভাবে ম্যানেজ করে নেয়...?? এইসব সংস্থাগুলির এত বড় বড় পরিকাঠামো তো শুধু দেশবাসী কে প্রতারণা থেকে উপযুক্ত নজরদারির মাধ্যমে আগে থেকেই সতর্ক করার এবং বাঁচানোর জন্য, তাহলে বারবার তারা এই কাজে ব্যার্থ হয় কী করে...?? কেনো প্রতিটি ঘটনায় এইসব কেন্দ্রীয় ইনভেস্টিগেশন সংস্থার ওপরতলার অফিসারদের সাথে লুটেরাদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা শোনা যায়...?? এর দায় কেনো আপনি নেবেন না...?? আপনি স্বচ্ছ ভারতের স্বপ্ন দেখিয়ে ক্ষমতায় এসে দেশের সবচেয়ে অস্বচ্ছ সরকার আমাদের উপহার দিলেন ... এর দায় নিয়ে আপনি পদত্যাগ করবেন না কেনো...?? 

৪. আজ যদি দেশের সব ঋণগ্রস্থ কৃষক বলেন যে তারা ঋণ শোধ করবেন না... যদি দেশের সব ঋণগ্রস্থ  ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী বলেন যে তারা ঋণ শোধ করবেন না যতক্ষণ না পর্যন্ত দেশের এলিট শ্রেনীর শিল্পপতিরা তাদের ঋণ শোধ না করে, তাহলে আপনি সেই বিদ্রোহ সাম্‌লাতে পারবেন তো মিস্টার মোদী...?? যদি তারা বলেন আগে আপনি বিদেশে পাচার হওয়া এদেশের রাষ্ট্রায়ত্ব বাঙ্কের সাদা টাকা ফেরত নিয়ে আসুন , তাঁরপর আমরা আমাদের লোন শোধ করবো... কী করবেন আপনি...?? গুলি করে মারবেন তাদের, না বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে তাদের আত্মহত্যা করতে বাধ্য করবেন...?? যদি তারা লোন শোধ না করে তাদের দোষ দিতে পারবেন তো মোদী সাব... ?? নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে দেখুন একবার...?? 

৫. লুটেরাদের একজন আপনার দলের মনোনীত সাংসদ ছিলেন, একজন আপনার দলের এক মুখ্যমন্ত্রীর এবং আপনার ক্যাবিনেটের একজন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ ছিলেন, একজন আপনার অতি ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি আদানীর জামাই,একজন তো আপনার সাথে একসাথে বিদেশে স্টেজ শেয়ার করেছেন এবং আপনার অর্থমন্ত্রীর ডেলিগেশন টিমে ছিলেন.... এসবের দায় আপনি নেবেন না...?? দেশবাসীর কাছে জবাব দেবেন না আপনার " মন কী বাত" অনুষ্ঠানে...?? এতবড় লজ্জাজনক ঘটনার পর আপনার কোনো টুইট নেই কেনো...?? আপনার নীরবতা কী আপনার লজ্জিত বিবেকের দংশন, নাকি নির্ভেজাল পলায়ন ...?? দেশবাসী জানতে চায় মিস্টার মোদী... হনুলুলুতে অতি বৃষ্টি হলে যিনি  সেকেন্ডের মধ্যে টুইট করেন, তিনি নিজের দেশের এতবড় দুর্ঘটনায় নীরব কেনো...?? একি "নীরবে" নীরব সমর্থন...?? জবাব চায় দেশবাসী.... 

প্রধানমন্ত্রী উত্তর দেবেন না জানি.... আবার ভাট বকা শুরু করবেন আগামী মন কী বাত অনুষ্ঠানে.... কিন্তু ভক্তগণ আপনাদের কাছে এর কী উত্তর আছে জানার খুব ইচ্ছা রইলো.... যদিও জানি এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আপনাদের কম্ম নয়...আপনাদের গোয়ালের সিলেবাসে গরু, মন্দির, মসজিদ, পাকিস্তান, মমতাজ বেগম ছাড়া আর কোনো চ্যাপ্টার ই যে নেই.... আপনাদের আর দোষ কী... ভালো থাকবেন আর অপেক্ষা করবেন ২০১৯ এর.... সব হিসেব সুদে আসলে বুঝে নেওয়ার জন্য।


Written by Sreeparna Roy
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1096921853783874&id=100003982097974

For more details on Nirav Modi's  fraud please read our previous article:
“Nirob Modi “ on Nirav Modi. Why our SEVAK Modi is Nirob (silent) on NIRAV Modi?

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. 
Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

Thursday, February 15, 2018

“Nirob Modi “ on Nirav Modi. Why our SEVAK Modi is Nirob (silent) on NIRAV Modi?

In Narendra Modi’s regime after Jatin Mehta, Vijay Mallya, Gautam Adani, etc another name came out as Public Bank Loan Defaulter which is Nirav Modi.

Now our question is why our SEVAK Modi is Nirob (silent) on NIRAV Modi???

It’s possibly the biggest gigantic fraud that our Nationalised Banks have experienced. Post Mr. Vijay Mallaya issue we thought all loop holes has been plugged but it seems it has open flood gates.
A fraud going on from 2011, Mr. Nirav Modi as has been written had used forged documents used the banking swift mechanism in contriving with few Bank employees to take multiple loans from different banks.

The initial fraud amount quoted would be Rs. 11 thousand Four hundred crores but its only the tip of an ice berg if all banks are included then as per industry experts say it may well cross Rs. 30 thousand core.

All happening after the Whistle blower Mr. S V Hari in 2016 complained to all Investigating agencies about the fraud (Geetanjali) of whom he had been a victim. No reply came from any quarters but a mail stating from ROC that case been closed (interview with Rahul Kanwal India Today TV). Below are the sequential incidents which people of India needs to infer.
1.  1st Jan 2018 Mr. Nirav Modi left country.
2.  1st Jan 2018 Mr. Nishant Modi brother of Mr. Nirav Modi left.
3.  4st Jan 2018 Mr. Mehul Choksi left
4.  6 th Jan 2018 Mr. Nirav Modi s wife left
5.  29th Jan 2018 CBI receives complaint from PNB
6.   2nd Feb CBI issues look out notice.


বাড়িতে টাকা রাখলে নরেন্দ্র মোদির ভয়।।
ব্যাঙ্কে টাকা রাখলে নীরব মোদির ভয়।।
If you keep cash at home then Narendra Modi..
If you keep cash in Bank then Nirav Modi.

Here I'm putting some facts:

Neeshal Modi is Nirav Modi's real brother and they are partners in business.
Neeshal is married to Isheta.
Isheta is the only daughter of Dipti Salgaocar.

Dipti is the real sister of Mukesh and Anil Ambani.
NOW IT DOESN'T REQUIRE A SHERLOCK HOLMES TO KNOW HOW THE 11,000 CRORES SCAM HAPPENED AND WHY IS ONLY NIRAV'S NAME BEING SPOKEN AND NOBODY TALKING ABOUT NEESHAL.

The most surprising factor here is the timing when the complaint had specifically stated that a look out notice needs to be issued.
Thus our money gone.
Lalit Modi gone.
Mr. Mallya flew away &
Mr. Nirav Modi says Diamond is forever.
Shame!

Written by Sri Jayanta Sengupta & myself.

 
Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post.


Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

Monday, February 12, 2018

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ৩৮ থেকে ৪০ টি লোকসভা আসন জিততে পারে। এমনকি লোকসভা ভোটে মমতার পাশেই মোর্চা, পাহাড়ে বিপাকে বিজেপি। In presence situation Trinamool Congress is all set to win 38 to 40 seats from Bengal alone. Even Gorkha Janamukti Party (GJM) ‘s present leadership also willing to support Mamata Banerjee. Now it is not far when everyone will say ”Mamata for PM”.


আশাকরি আমাদের পাঠক পাঠিকারা ইতিমধ্যেই আমাদের পূর্ববর্তী নিবন্ধে পরেছেন যে বিজেপী ও সিপিএম বর্তমানে ক্রন্দনরত কারন পাহাড় আবার হাসছে।

Link:

আমরা আগেই লিখেছিলাম যে দার্জিলিং-এ চিত্তরন্ঞ্জন দাসের গন্ধ আছে, রবীন্দ্রনাথের ছন্দ আছে, সুভাষ বোসের অনুভব আছে, ভগিনী নিবেদিতার শেষ পদচিহ্ন আছে, সেই দার্জিলিং বাঙালি কিংবা গোর্খার হতে পারেনা। দার্জিলিং 'বাংলার' হৃৎপিন্ড।


সেই পাহাড়েই দীর্ঘকাল পর আমরা সম্ভবত পশ্চিমবাংলার মুলস্রোতের রাজনৈতিক দলের কাউকে লোকসভায় সাংসদ হিসেবে পেতে চলেছি। ইতিমধ্যেই আমরা রাজ্যসভায় শ্রীমতী শান্তা ছেত্রি কে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সাংসদ হিসেবে পেয়েছি। বর্তমান পরিস্তিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পাহাড়ে যাওয়ার পর তৃণমূলের পাহাড় থেকে আরেকটি সংসদীয় আসন পাওয়ার সম্ভবনা অনেক বেশি হয়ে উঠেছে ।
 
কয়েকমাস পূর্বে এই মা মাটি মানুষ ব্লগ ই আপনাদের প্রথম জানিয়েছিল যে গোর্খাল্যান্ড একটি পুরাতন ভারতবিরোধী চীন ও নেপাল (কমিউনিস্ট-মাওবাদী) যৌথ পরিকল্পনা এবং এটি ভারতের নিরাপত্তার জন্য বিপদ। কারণ এটি সিকিমসহ বৃহত্তর নেপালের দিকে একটি প্রথম পদক্ষেপ।

ভারত সরকার এবং বিশেষভাবে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি জাতীয় স্বার্থ কে অগ্রাধিকার দিতে হবে একটি বা দুটি লোকসভা আসন এর চেয়ে।
Link

আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে এই ব্লগের লেখার পর প্রায় একি কথা রাজ্য সরকার ও গোয়েন্দা বিভাগ বলেছিলেন। তারপর আদালতেও এই মত জানান হয়েছিল।  

বিজেপি জাতীয় স্বার্থ কে না বুঝলেও অন্যান্য অনেকেই এখন আসল বিষয় বুঝতে পেরেছেন।  

পাহাড়ের নয়া সমীকরণে দার্জিলিং লোকসভা আসনের রাজনৈতিক চরিত্র অনেক বদলে গেল। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থন পাশে নিয়ে গতবার দার্জিলিং জিতেছিলেন বিজেপির সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। কিন্তু বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের ভুল রাজনীতি এবং পাহাড় থেকে পলায়ন বদলে দিয়েছে মোর্চার সংসার। এখন দলের রাশ বিনয় তামাং, অনিত থাপাদের হাতে। বিজেপির প্রতি তাঁদের কোনও দায়বদ্ধতাই নেই। বরং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শান্তির স্লোগানে তাঁরা শামিল। মুখে কেন্দ্র বিরোধী জেহাদ। গোর্খাল্যান্ড যে রাজ্য সরকারের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়, তা অনুধাবন করে ফের জিটিএর কাজে মনোনিবেশ করেছেন বিনয়রা। অনিশ্চয়তা, বনধ, বোমা, গুলি বন্ধ হওয়ায় পাহাড়ের সাধারণ মানুষ কতটা খুশি তা মুখ্যমন্ত্রীর পাহাড় সফরে স্পষ্ট। স্বভাবতই আগামী লোকসভা ভোটে নাটকীয় কিছু না ঘটলে দার্জিলিং আসন বিজেপির পক্ষে জেতা খুব কঠিন।

গতবার সমতল থেকে তৃণমূলের বাইচুং ভুটিয়া এগিয়ে থাকলেও পাহাড়ের বিজেপির পক্ষে মোর্চার বিপুল ভোট আালুওয়ালিয়াকে বড় ব্যবধানে জিতিয়ে দেয়। পাহাড়ে তিন আসন পায় মোর্চা। সমতলের চারটির একটিও বিজেপি পায়নি।


বস্তুত, ভোট এক বছর বাকি থাকলেও দিল্লি দখলের যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। মমতা বনাম মোদির লড়াইও বাংলার রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নেই। বিরোধীদের গ্রহণযোগ্য নেতা কে? সেই প্রশ্নে মমতাকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করতে উদ্যোগী অনেকেই। গুজরাতের পাতিদার আন্দোলনের যুব নেতা নেতা হার্দিক প্যাটেল কলকাতায় এসে যেভাবে এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী পদে একমাত্র যোগ্য মুখ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলে যুক্তি দিয়েছেন তা খুবই অর্থবহ। তাঁর গুরুত্ব কতটা তা মমতাও বোঝেন। তাঁর লক্ষ্য লোকসভায় আসন বাড়ানো। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে গতবার ৩৪টি তৃণমূল পেয়েছিল। এবার এ রাজ্য থেকে আরও বেশি আসন জিততে তারা প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

কেবল দার্জিলিং ই নয় বিজেপি এবার আসানসোল আসনটিও হারতে চলেছে।

৩৬ টি আসনে তৃণমূল ভালভাবেই এগিয়ে ৫ টি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লরাই হবে এবং একটি আসনে বিরোধীরা কিছুটা এগিয়ে।


তাই আমাদের সমীক্ষামতে এবারে বাংলা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস একার শক্তিতেই ৩৮ থেকে ৪০টি আসন পেতে চলেছে।


Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

Some thoughts about Love Jihad during this Valentine Week & Valentine’s Day written by --Zinna Ahmed. প্রেম-দিবসের প্রাক্কালে 'লাভ-জিহাদ' নিয়ে কিছু কথা লিখেছেন জিন্না আহমেদ


সম্প্রতি লাভজিহাদশব্দটি ভারতীয় উপমহাদেশের ভাষা-শব্দভান্ডারে তাৎপর্যপূর্ণ  শব্দ হিসেবে নিজের জায়গা নির্দিষ্ট করে নিচ্ছে। শব্দটি যদিও ভারতের উগ্র-হিন্দুত্ববাদী সংগঠণগুলির  মস্তিষ্কপ্রসূত, তবু এর বিষয়তাৎপর্যকে ধারণ করেছে প্রায় সমস্ত ধর্মের উগ্র-মতাবলম্বীরা।  সম্প্রতি আন্তঃধর্মের প্রেমের অপরাধে খুন হয়ে গেলো অঙ্কিত সাক্সেনা। এখানে মুসলিম পরিবারের হাতে খুন হয়েছে হিন্দু যুবক, আর রাজস্থানে এই অভিযোগেই হিন্দুপ্রচারকের হাতে খুন হয়েছে মুসলমান শ্রমিক। বাংলাদেশ ভারতে একই অভিযোগের কন্ঠস্বর শোনা যায় মুসলমান হিন্দু মৌলবাদীদের কন্ঠে। দুটি দেশেই লাভজিহাদেরঅভিযোগে  বারবার আক্রান্ত হয়েছে  তথাকথিত ভিন্নধর্মের যুগলেরা। 


লাভ জিহাদনিয়ে যতই সোরগোল তোলো না কেন বাছা, ‘লাভে মধ্যেই যে  ‘জিহাদে শর্ত নিহিত থাকে তা তোমাকে মানতেই হবে। প্রতিটি যুগেই ভালবাসার জিহাদ তো  ভালবাসাহীন নির্মম সমাজের দিকে ছুঁড়ে দিয়েছে চ্যালেঞ্জ। সামন্ততান্ত্রিক রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে তাকে রুখে দাঁড়াতে হয়েছে। ভালবাসা চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে ক্ষয়িষ্ণু মূল্যবোধকে, সনাতন প্রথাকে,পরিবারকে, ধর্মকে, এমনকি রাষ্ট্রকেও।  সামন্ততান্ত্রিক মূল্যবোধের ঠুলি চোখে পড়ে থাকলে ভালবাসার শক্তিকে অনুভব করা  সম্ভব নয়। আন্তঃধর্মেরঃ বিয়ের কথা দূরে থাক, সনাতন সমাজের তাঁবেদারেরা এই প্রজন্মের স্বধর্মের তরুণ-তরুণীদের সাধারণ মেলেমেশাকেও সহ্য করতে পারে না, মেনে নিতে পারে না বলেই এই প্রজন্মের নিজস্ব পছন্দের বিয়েকে লাভ- মেরেজআখ্যা দিয়ে তাদের সামাজিকভাবে আলাদা করতে চায়। পাশাপাশি যে অ্যারেঞ্জ-মেরেজে পক্ষে তারা সাওয়াল করে তাতে মানবতার অপমানের দিকগুলিকে ঐতিহ্য বলে গৌরবান্বিত করে তুলতে চায়। সেই অর্থে আমাদের অবক্ষয়িত সমাজে লাভ-মেরেজআসলে লাভ-জিহাদ

সমাজের স্থিতাবস্থার কর্ণধারেরা চিরকালই প্রেমের বিপক্ষে, তা সেটা স্বধর্মেই হোক বা বিধর্মে। মোঘল সম্রাট আকবরের পুত্র সেলিম আর রাজ্যের নর্তকী অনিন্দ্য  সুন্দরী আনারকলির প্রেম সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রেমের জন্য এত বড় আত্মত্যাগ এই উপমহাদেশে  এক বিরল দৃষ্টান্ত। সম্রাট আকবর এই সম্পর্ক মেনে নেন নি। কিন্তু প্রেমশক্তিতে দুর্নিবার সেলিম পিতার বিরুদ্ধে ঘোষনা করে লাভ-জিহাদ কিন্তু   শক্তিশালী আকবরবাহিনীর কাছে সেলিম পরাজিত হয়। নিজ সন্তানের মৃত্যুদন্ড ঘোষনা করে আকবর। সেলিমকে বাঁচাতে আনারকলি নিজের জীবনের বিনিময়ে সেলিমের প্রাণ ভিক্ষা চায়। অবশেষে সেলিমের চোখের সামনেই আনারকলিকে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়। ভালবাসাকে বারবার পরীক্ষিত হতে হয়েছে তার অভ্যন্তরে জিহাদ আছে বলেই। 


লাভ-জিহাদতো আন্তঃধর্মের পরিণয় সংক্রান্ত বিষয় নয়। আমাদের শাশ্বত প্রেমের জুটি  রাধা-কৃষ্ণের দিকে একবার চোখ ফেরানো যাক। রাধিকা ছিলেন আয়ান ঘোষের স্ত্রী এবং সম্পর্কে  কৃষ্ণের মামিমা। বৈষ্ণব-পদাবলীর অভিসারপর্যায়ের পদগুলির দিকে তাকালেই বোঝা যাবে সামাজিকভাবে অবৈধ এই প্রেম ছিল কতটা দুর্নিবার! প্রেমের জিহাদ তো শাশ্বত প্রমের যুগল মূর্তিতেই রয়েছে। জিহাদের আরো নমুনা আছে মথুরা পর্যায়ে কৃষ্ণের আর এক প্রেমকে কেন্দ্র করে। কৃষ্ণ রুক্মিণীর কাছ থেকে পত্র পেলেন তার পিতা বিদর্ভরাজ  তার সাথে শিশুপালের  বিবাহ স্থির করেছেন, কিন্ত রুক্মিনী ভালোবাসেন কৃষ্ণকেই। সুতরাং কৃষ্ণ যেন তাকে উদ্ধার করেন। বলরাম সবই জানতেন। রুক্মিনীর পত্র দেখা মাত্র ঠিক করলেন তিনি বিদর্ভ আক্রমণ করবেন ঠিক হল কৃষ্ণ রুক্মিনীকে মন্দির থেকে রথে তুলে পালাবেন। বলরাম বিদর্ভের রাজধানী অবরোধ করে রাখবে, যাতে  কোন সেনা কৃষ্ণের পেছনে না আসতে পারে। এই পর্বে বলরামের একটা উক্তি মহাভারতে খুবই   উল্লেখযোগ্য তা হলো, “বিদর্ভরাজকে সভ্যতা সেখানো দরকার”! অর্থাৎ যেসব গোষ্ঠি তাদের কন্যাকে স্বয়ংবরের সুযোগ দেয় না, তাদের অসভ্য বললেন বলরাম,

মহাভারতে আমরা আরও দেখেছি যে অর্জুন যখন  জানলেন সুভদ্রা তাকে ভালোবাসেন ( এবং তিনিও সুভদ্রার প্রেমে বিভোর) , কিন্ত তার বিবাহ দুর্যোধনের সাথে হবে তখন তিনি কৃষ্ণের কাছে মার্গ দর্শন চাইলেন কৃষ্ণ বললেন, ‘এই ক্ষেত্রে ক্ষত্রিয় মার্গ একটিই ! সুভদ্রাকে নিয়ে পালাও! রথ পাঠিয়ে দিচ্ছি’! তাহলে একটা ব্যপার বেশ  পরিস্কার, পুরাণে মহাকাব্যে যেটুকু ধর্মীয় স্বাধীনতার নিদর্শন রাখা হয়েছেবর্তমানে ধর্মবাদীরা সেটুকুও মানে না।


এই সমস্ত পুরাণ কাহিনি থেকে আমরা কী শিক্ষা নেব? যুগলেরা নিজের সিদ্ধান্ত নিজেরা নেবে নাকি তথাকথিত সমাজের দন্ডমুন্ডের কর্তারা নেবে? অজস্র উদাহরণ দেওয়া যায়। হিন্দুধর্মের পৃষ্ঠপোষকেরাই উদাহরণগুলো হজম করতে পারবেন না।চর্যাপদের  অভ্যন্তরস্থ কাহিনি বিশ্লেষণ করে ১০ সংখ্যক পদে দেখা যায় কাহ্ন নগরের বাইরে অচ্ছুত কোন এক ডোম্বীর উদ্দেশে প্রেম নিবেদন করেছে এবং১৯ সংখ্যক পদে দেখা যায় বাদ্য বাজিয়ে সেই ডোম্বীকে  বিবাহ  করতে যাচ্ছে।


এই অপরূপ প্রেমের অভিঘাতে কি সমাজের স্থিতাবস্থা টাল খায় নি? টাল খেয়েছে কিন্তু অনার কিলিংহয় নি। অথচ অধুনা সমাজে অনার-কিলিংকে তাত্ত্বিক ভিত্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুসলমান সাজিয়ার  সাথে প্রেম করার জন্য হিন্দু অঙ্কিত সাক্সেনাকে তার প্রেমিকার ভাই এবং বাবা দিল্লীর রাস্তায় সবার সামনে কুপিয়ে খুন করেছে। লোকেরা সেই দৃশ্য মোবাইলে তুলতে ব্যস্ত ছিল-কেউ এগিয়ে আসেনি তাকে বাঁচাতে। রাজস্থানে কর্মরত শ্রমিক আফরাজুলকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হলো লাভ-জিহাদে অভিযোগে। এই হত্যাকান্ড ভিডিও তে ছবি তুলে ভাইরাল করা হলো অন্যদের আতঙ্কিত করার জন্য। 

শুরুর কথা দিয়েই শেষ করি। সব সময়ই প্রেম অপ্রতিরোধ্য। লাভ-জিহাদেরঅজুহাতে অথবা অনার-কিলিংশিরোনামে এর গতি রুদ্ধ করার চেষ্টা মানেই ইতিহাসের অমোঘ স্রোতের বিপক্ষে যাওয়া। আমরা এই কথাগুলি বলছি লাভ-জিহাদের ঐতিহাসিক শিবির থেকে, যে শিবিরে প্রেমই একমাত্র ধর্ম, তাই ধর্মান্তরকরণের কোন প্রশ্ন নেই,আছে পূর্ণ-মানবিক পৃথিবীর প্রতিশ্রুতি।
লিখেছেন --Zinna Ahmed Edited By Saroop Chattopadhyay

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post.
Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.