Thursday, October 12, 2017

ভিত্তিহীন নেতা মুকুল রায় সম্পর্কে কিছু সরাসরি বক্তব্য। Some direct speech about baseless leader Mukul Roy.

ভিত্তিহীন নেতা মুকুল রায় সম্পর্কে কিছু সরাসরি বক্তব্য।
Some direct speech about baseless leader Mukul Roy.

(মনযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো)

তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় সরাসরি জানিয়ে দিলেন:

* দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চেয়েছেন মুকুলবাবু
* বিশ্বাসহীনতার পরিচয় দিচ্ছেন
* পার্থবাবু বাচ্চা ছেলে হলে উনি কি বড়দা
* মুকুল রায়কে জবাব দিতে হবে। উনি ৬ মাস ধরে     
   নাটক করছেন।
* মুকুল রায় সবৈব মিথ্যা কথা বলছেন...ওনাকে কোন
   নির্দেশ দেওয়া হয়নি আরএস এসের সাথে 
   যোগাযোগ করার জন্য..
* দল সুযোগ দিয়েছিল কাজ করার জন্য কিন্তু উনি তা 
   করেননি...
*  দলকে না জানিয়ে বিজেপি নেতা নেত্রীদের সাথে 
    যোগাযোগ করতেন।
*  সিবিআই যেদিন থেকে জেরা করতে শুরু করল 
    সেদিন থেকেই বিজেপির সাথে যোগাযোগ করা
    শুরু করলো।
*   উনি অনেক পরে বুঝেছেন আমাদের নেত্রী এক
    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, একজনকে সামনে রেখে
    দল চলছে।
*  আমাদের রোল মডেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
    রোলমডেল করতে হলে একজনকে রেখেই দল
    করতে হবে।
*  আমাদের দলের কোন চাকর নেই। সবাই সহকর্মী।
    কে চিনত মুকুল রায়কে এখন খাতা কলম নিয়ে
    বসেছে।
*  মুকুল বাবুর কথা গুরুত্বহীন, কাঁচরাপাড়ায় কাঁচরা
    ছেলে...
*  এতদিন বাদে বোধদয় হোল কেন? ২০০১ থেকে
    ২০০৬ পর্যন্ত কংগ্রেসের সাথে ছিলো তৃণমূল।


এবার আমার কিছু সোজাসুজি কথা, সোজাসুজি নয়.... এবার ডাইরেক্টলি ভাবে।

আমার একজনই নেত্রী মমতা ব্যানার্জী , দিদি বলে ডাকলেও দিদি বলতে মা বলেই মানি ,তিনি আমাদের মা , যতদিন বেঁচে থাকবো ,দিদির সাথেই থাকবো , দিদির জন্য আমার দিন রাত্রি , ঘন্টা , মিনিট , সেকেন্ড , সমস্ত উদ্যম , কাজ সব কিছু এই জীবনের মতো রাখা , দিদি আমার ঈশ্বর।।

বিগত বেশ কিছুদিন ধরে অধীর আগ্রহে দিন গুনছিলাম #কাঁচাবাবু নাকি ইস্তফা দিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে বড়সড় বিস্ফোরণ ঘটাবেন??? এতো বোমা নয় ইস্তফা দিয়ে সামান্য কালি পটকাটাও ফাটাতে পারলেন না #কাঁচরা_পাড়ার #কাঁচাবাবুর সাংবাদিক বৈঠক ছিল একেবারেই শূন্যতায় ভরা৷

 মুকুল রায় আপনি আজ যেভাবে জননেত্রীকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অপমান করলেন তাতে আমাদের দলের মানে যাদের বলছেন আপনার সাথে আছে সেইসব কর্মী সমর্থকরা আরও বেশি মুখ ফিরিয়ে নেবে আপনার দিকে থেকে৷

 আপনার মতো প্রাজ্ঞ রাজনীতিকের জানা উচিত, ভারতবর্ষের রাজনীতিতে আঞ্চলিক দলগুলি একটি মুখকে সামনে রেখেই তা বেড়ে ওঠে৷ আমাদের দল তৃণমূলও তার ব্যতিক্রম নয়৷ আমাদের দলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ কথা৷ আর এই কথা আপনি আমাদের দলে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকাকালীন নিজেও একাধিকবার বলেছিলেন৷ মুকুল রায় আপনার জানা উচিত রোল মডেল একজনই হয় আর তাঁকে দেখেই দল ফুলেফেঁপে ওঠে৷ আর তৃণমূল কংগ্রেসের সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তৃণমূল দলটিকে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজটি কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিকে সামনে রেখেই করতে হয়েছিল আপনাকে আর সেটা আপনি নিজেও ভাল জানেন৷ মুকুল রায় আপনি বড় নেতা হতে পারেন, কিন্তু আপনি আমাদের দলের উর্ধ্বে কেউ নন৷

 আমাদের নেত্রী যখন বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অল-আউট আক্রমণ করছেন, সেখানে আপনি গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে আঁতাত করে দলের ক্ষতি করেছেন৷ যা কোনও ভাবেই মেনে নেবে না আমার মতো সাধারণ কর্মীরা৷ মুকুল রায় আপনি নিজের মুখ দেখিয়ে দক্ষ সংগঠক হননি, আমাদের দিদির মুখ সামনে রেখেই দলটা করেছিলেন৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ বাদ দিলে মুকুল রায় আপনার কোনও অস্তিত্ব নেই৷ একটা সময়ে যারা আপনার ঘনিষ্ঠ ছিলেন শিউলি সাহা, শীলভদ্র দত্ত, সব্যসাচী দত্ত ইনারা সবাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন৷

 আসলে কি জানেন #কাঁচাবাবু আমাদের প্রিয় দিদির সঙ্গে বেইমানি কেউ মেনে নিতে পারবেনা৷ মুকুল রায় আপনি আমাদের দলে থেকে সবকিছু পেয়েছেন৷ আর সেটা আমাদের নেত্রীর হাত ধরেই বেড়ে উঠেছিলেন আপনি। বিজেপির সঙ্গে আপনার গোপন আঁতাত জানা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে আমাদের নেত্রী আপনাকে নিয়ে কখনও কোনও মন্তব্য করেননি, অপমান করেননি৷ তারপরও আপনি আমাদের দলটিকে দুর্বল করার জন্য একে পর এক দলবিরোধী কাজ করে যাচ্ছিলেন। মুকুল রায় আপনি ভুলে যাবেন না যে ভাবে আপনি আমাদের নেত্রী কে অপমান করেছেন যদি আপনি কোন জেলা সফরে বেরোন তাহলে আমার মতো সাধারণ-কর্মীরা আপনাকে ঘিরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের পাশাপাশি দিদির সঙ্গে বেইমানি ও বিশ্বাসঘাতকতা করার হিসেব টুকু নিয়ে নেবে৷ শুধুমাত্র এই রাজ্য নয় এই দেশেও এখনও আমাদের দিদির বিকল্প কেউ হয়ে উঠতে পারেননি৷ তাঁর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে৷ মমতা ছাড়া মুকুল যে অস্তিত্বহীন সেটা বিভিন্ন জেলার মুকুল ঘনিষ্ঠ নেতা-কর্মীরা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন৷ আমাদের দিদির হাত ছেড়ে মুকুলের হাত ধরা মানে, যে ডালে বসে আছে সেই ডালেই কুড়ুল চালানোর সামিল(#কালিদাস) ৷ 

২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন জনসভায় দিদি যখন একা জনজোয়ার বইয়ে দিচ্ছেন, ঠিক তখনই মুকুল রায়কে জনসভায় লোক টানতে সঙ্গে নিতে হয়েছিল মিঠুন চক্রবর্তী, দেবেব মতো ফিল্মস্টারদের ৷ এমনকী, মুকুল রায়কে ছাড়াই ২০১৫ পুরসভা ও ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড আসনে জয়লাভ করেছিল তৃণমূল সেটা কি ভুলেগেছেন মুকুল রায়??? মনে করুন মুকুল রায় শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভায় গিয়ে একটাই কথা বলেছিলেন, #প্রতিটি_আসনে_আমি_প্রার্থী৷ আর #আমাকে_দেখে_ভোট_দিন৷  
মুকুল রায় আর বাকিটা ইতিহাস!

 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কয়েকটি সামান্য তথ্য তুলে ধরলেই বোঝায় যায়, কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যদের থেকে অনেকটাই আলাদা৷ বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাস বলছে কংগ্রেস, সিপিএমের মতো বড় দলগুলি থেকে বেরিয়ে কেউ প্রতিষ্ঠিত হতে পারেননি৷ তা আপনি যত বড় মাপের নেতাই হোন না কেন। কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে নতুন দল গড়েছিলেন #প্রণব_মুখোপাধ্যায়, নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষা না করতে পরে কংগ্রেসেই ফিরতে হয়েছিল তাঁকে৷

 সিপিএম থেকে বেরিয়ে #সমীর_পুততুণ্ড কিংবা #সইফুদ্দিন_চৌধুরির মতো নেতারা #পিডিএস নাম দল গঠন করে #সুপার_ফ্লপ_হয়েছেন৷ এরকম অনেক ভুরি ভুরি উদাহরণ দেওয়া যায়, যাঁরা মূলস্রোত থেকে বেরিয়ে হারিয়ে গিয়েছেন৷ আর সেখানেই #ব্যতিক্রমী_মমতা_বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে নতুন দল তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছিলেন৷ যে দল এই রাজ্যে অল্পদিনের মধ্যে শাসন ক্ষমতায় আসার পাশাপাশি ক্রমশ সাংগাঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে, আর দুর্বল হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস৷ তাই অনেকেই বলে থাকেন হাত নয়, ঘাসফুলই এ রাজ্যে প্রকৃত কংগ্রেস৷ একদা বঙ্গ কংগ্রেসের শেষ কথা যে #সোমেন_মিত্রের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে যে তৃণমূলের জন্ম হয়েছিল, সেই দাপুটে নেতাকেও কংগ্রেস থেকে নিজের ঘরে এনে #বোতলবন্দি করে রাখার ক্ষমতা দেখিয়ে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল #প্রগতিশীল_ইন্দিরা_কংগ্রেস তৈরি করেছিলেন সোমেন মিত্র৷ কাকপক্ষীতে গিয়েছেও সেখানে ঠাঁই নেয়নি৷ পরে মমতাই সমস্ত অভিমান ভুলে সোমেন মিত্রকে সাংসদ বানিয়ে দিল্লি পাঠানোর পাশাপাশি তাঁর পত্নী #শিখা_মিত্রকে ঘাসফুল চিহ্নে জিতিয়ে বিধানসভায় পাঠিয়েছিলেন৷ পরে দলবিরোধী কাজকর্ম এবং মন্তব্যের জন্য দু’জনকেই দল থেকে তাড়ানো হয়৷ শোনা গিয়েছিল, বিজেপিতে যোগ দেবেন সোমেন-শিখা৷ কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে এখন দু’জনেই #অচল_আধুলি৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলের টিকিটে একবার বিধায়ক হয়েছিলন #নির্বেদ_রায়৷ কিন্তু পরে দলত্যাগ করে একটা সময়ে টেলিভিশনের পর্দায় মমতার কট্টর সমালোচক বলে পরিচিত লাভ করেছিলেন #নির্বেদবাু৷ কিন্তু তাঁর মমতা বিরোধী বক্তব্যকে মানুষ গ্রহণ করেননি৷ যখন কংগ্রেসে ছিলন, তখন কোনও মিটিং মিছিলে জনা দশেক লোকও জড়ো করতে পারতেন না৷ অগত্যা রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে তৃণমূলেই ফিরতে হয় তাঁকে৷ তাঁর স্ত্রী মালা রায়ের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য৷ নির্বেদ বাবুর মতোই তৃণমূলের টিকিটে একবার বিধায়ক হওয়ার স্বাদ পেয়েছিলেন আইনজীবী #অরুনাভ_ঘোষ৷ পরে দলত্যাগ করে কংগ্রেসে যোগ দেন৷ কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচনে লড়াই করতে গিয়ে কাউন্টিং এজেন্ট পর্যন্ত জোটেনি তাঁর৷ অরুনাভবাবু অবশ্য এখনও টিভির পর্দাতেই তাঁর ‘বিদ্রোহ’ চালিয়ে যাচ্ছেন৷ যদিও তিনি রাজনীতি নয়, তাঁর পেশাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন৷

 সেরকমই #উত্তরবঙ্গের দুই দাপুটে নেতা #কৃষ্ণেন্দু_নারায়ণ_চৌধুরি এবং #আব্দুল_করিম_চৌধুরি মমতার হাত ছাড়ার পর হারিয়ে গিয়েছিলেন৷ পরে #কৃষ্ণেন্দুবাবু দলে ফিরে মন্ত্রীত্ব পান৷ শুধু সোমেন মিত্র নয়, বর্তমান পঞ্চায়েতমন্ত্রী #সুব্রত_মুখোপাধ্যায়ের মতোও দক্ষ প্রশাসক ও হেভিওয়েট বর্ষীয়ান নেতাও তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে কিছুই করতে পারেননি৷ পরে ফের তৃণমূলে ফিরে আসনে৷ এবং মমতা তাঁকে যোগ্য সম্মান দেন৷ ২০০০ সালের কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে সুব্রত মুখোপাধ্যায় তৃণমূলের টিকিটেই কলকাতার মেয়র হয়েছিলেন। আবার ঠিক ২০০৫ সালের নির্বাচনের মুহূর্তে মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু রাজনীতিতে ক্রমশ গুরুত্ব হারাতে থাকেন তিনি৷ আবার ২০১০ সালে কর্পোরেশন নির্বাচনের আগে যোগ দেন তৃণমূলে।

 বর্ষীয়ান সাংসদ #সুদীপ_বন্দ্যোপাধ্যায়ও দলত্যাগ করে আলাদ মঞ্চ গড়ে ছিলেন৷ তবে তাতে লাভ কিছুই হয়নি৷ বরং, মমতা দির হাত ছাড়ার ফলে প্রথমবারের জন্য নির্বাচনে পরাজয়ের সম্মুখিন হয়েছিলেন তিনি৷ পরে তৃণমূলে সম্মানের সঙ্গে ফিরে এসে পুণরায় সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন৷ তাঁর স্ত্রী তথা প্রাক্তন অভিনেত্রী #নয়না_বন্দ্যোপাধ্যায়াও মমতা ম্যাজিকে বর্তমানে তৃণমূলের বিধায়ক৷ এরও আগে তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করেছিলেন দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য #পঙ্কজ_বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তবে পঙ্কজবাবু দল ত্যাগের পর কোনওদিন মমতা কিংবা তৃণমূল বিরোধী মন্তব্য করেননি৷ 

টালিগঞ্জের এই প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা তৃণমূল ছাড়ার পর কার্যত রাজনীতি থেকে সন্ন্যাসে চলে যান৷ মুকুল রায় আপাতত ছুটিতে যাচ্ছেন, তবে সেই ছুটি কতটা লম্বা বা দীর্ঘ হবে সেটা অবশ্য সময়ই বলবে৷ আর আমি সেই সময়ের অপেক্ষায় থাকবো কবে উনি বোমা ফাটাবেন??? শেষ কথাটা বলি কাঁচরাপাড়ার কাঁচা ছেলের হাত থেকে আমাদের দলটা বাঁচল। কাঁচা ছেলে কাঁচা রাজনীতি করছিলেন। এতদিনে বাঁচা গেল। এবার ভালো ঘুম হবে আমাদের।মনযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়ার অনুরোধ রইলো ।


Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. Thanks & Vande Mataram!!
 Saroop Chattopadhyay.

Thursday, September 7, 2017

Academy of Fine Arts- Kolkata Appeal to all please Save Academy from the hand of some Trustees


Who bullies on INTTUC (Indian National Trinamool Trade Union Congress) & exploits their power and position to cause suffering to their men and their innocent families. Plus the historic article of academy may not be safe.

(An Article jointly written by Mrs. Shyama Das & Mr. Saroop Chattopadhyay with some help of Mr. Jayanta Sengupta)

In Historic Academy of Fine Arts – Kolkata CPI(M) & BJP unions joined hand and supporting dictatorship of some Trustees who are allegedly destroying the historic Academy.
 #SaveAcademy a non political platform consisting some employees of Academy, Social workers, Artists, NGO-Workers, Academy lovers, Theatre lovers etc.
They held a protest meeting outside Academy on 31st Aug 2017 outside Academy.
Now academy is full poster by many protest platform & unions, which sometimes looks odd for the real Academy lovers of City of Joy Kolkata.
Now in short we are briefing our viewers about the History present disastrous condition of Academy of Fine Arts.
 
Introduction
The Academy of Fine Arts was established on 15th August 1933 and registered as a Society on 11th September 1946 under the Societies Registration Act,1860.
 
Management
The Management of the Academy is vested in Executive Committee, though the present EC was elected on 31st May 2015 vide AGM 2014-15 post which no AGM 2016 was held and audit FY 2015-16 & 2016-17 not yet done.
Important to note that the Board of Trustees has the authority of funds & property of the Academy but members of the last Board of Trustees resigned on 12th July 2014 & present Board of trustees formed but no GM of ordinary members to appoint new Board of Trustees was held thus creating an environment of mistrust with the present Board.
 
Irregularities & protest:
As a result the INTTUC Members were compelled to come to the streets to protest & demonstrate their anger against the illegal activities of the Management most importantly the non payment of salaries of 3 employees since Dec 2016.
 
The trustees are not authorised to tender any financial expenses as per their wish in spite of this they have incurred expenses electrical goods costing to Rs. 16 lakhs for Exhibition Gallery from Philips India in Feb 2015.
 
Mr. Kallol Bose Joint Sec arranged “Art & Heritage Foundation” with all Exhibition Galleries for organising CIMA Award Show for 4o days (24th Jan to 04 March 2017) for non commercial rates incurring loss of Rs.15lacs.
The Board of Trustees headed by Sri Prasun Banerjee being aided by Sri Kallol Bose Jt Sec of Executive Committee favours a section of the employees owing allegiance to CITTU & BJP as a result exploiting the other section of INTTUC. Moreover the services of two trainees & 2 contract labours were regularised on 18th June 2016 & salaries revised only to boost the moral of those unions & demoralising the INTTUC members.
To keep the accounts in the hands of the Trustees, they compelled the Executive Committee to appoint an Accounts Officer in May 2015 from their known sources. Surprisingly, the existing accountant was illegally show caused by Trustee along with Jt Secy Mr. Kallol Bose and subsequently suspended in Feb 2016. A domestic enquiry was also conducted. But, he was not proved guilty. However, the Trustees and the Joint Secretary denied the fact and still deprived him of his salary.
 
A resolution was taken in a Executive Committee meeting dated 09th Dec 2016 through valid quorum of 6 members headed by other Joint Secretary, Sri Sudip Banerjee, and accordingly, the service of Mr. Subhasish Ghosh, Administrative Officer was regularised who joined the Academy on 01st Oct 2012 for a probation period of 1 year and whose confirmation of service was pending since 01st Oct 2013; illegitimate suspension order on Mr. Gautam Sinha, Accountant was withdrawn and Sri Mange Balmiki was appointed as Trainee, Security Guard. The Board of Trustees denied the resolution of quorum and still not released their actual salaries.
The Jt. Secretary Sri Sudip Banerjee informed to the office of Joint Labour Commissioner about the resolutions pertaining to employees on 14th Dec 16. The INTTUC union also approached to the office of Joint Labour Commissioner. But unfortunately, their grievances remain unresolved in JLC office because to avoid an order from the office of JLC in favour of the employees, the Board of Trustees filed a Title Suit NO. 621 OF 2017 on 02nd June 2017 against the aforesaid three employees and four members of EC who formed the quorum before the Learned City Civil Court at Calcutta.
It was plead to Honourable court for an injunction restraining those three employees and four members of quorum from use of Academy premises. The Trustees meet the legal expenses from the corpus of Academy.  But, the victim employees are paying from their pocket to defend the case in court which  aggravates their misery further.
Conclusion
The Trustees bullies on INTTUC union and exploits their power and position to cause suffering to their men and their innocent families. In these circumstances, we earnestly urge our honourable Chief Minister to intervene into the matter to protect our members who are long associated with our party and also to save the Academy from its extinction in the hand of self-centred Board of Trustees and the Executive Committee.
 
Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post.
Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

Thursday, August 17, 2017

West Bengal municipal/civic polls 2017 results: TMC going strong & strong, wins all 7 municipalities. BJP is distant second & flop show by CPM, Congress.


West Bengal civic body elections results 2017: Mamata Banerjee’s Trinamool Congress (TMC) today continued its all-conquering run in the state after bagging all seven seats in urban local bodies polls. The elections were held on August 13. TMC bagged total 140 wards out of 148. 

Meanwhile, BJP has emerged as distant second by winning only 6 wards out of 140 in seven municipalities. 

The former ruling bloc the Left led by CPIM and Congress have faced an absolute drubbing in these elections. With Panchayat polls scheduled to take place in 2018, these results assume significance.

"It is the people's victory. I thank them." Chief Minister Mamata Banerjee said. Her senior party colleague and Minister Partha Chatterjee said in a dig at the BJP, "If the first boy in class gets 95 and the second boy just 10 marks, what's the meaning of coming second?" The CPM, he said, has been reduced to a "signboard".

Once again victories in the civic bodies come nearly a year after the Trinamool Congress returned to power in the state winning 211 out of 294 seats.

The BJP, which has been trying to position itself as the main opposition to Trinamool, won just 6 wards out of total 140.

The Bharatiya Janata Party (BJP), which had expected to give a stiff challenge to Mamata Banerjee, failed to put a brake on the Trinamool Congress's surge in West Bengal.

In West Bengal, the presence of BJP is mostly in Social Media and in TV. But in civic body election’17 result they won just 6 out of 148 wards.

The Bharatiya Janata Party (BJP), which had expected to give a stiff challenge to Mamata Banerjee, failed to put a brake on the Trinamool Congress's surge in West Bengal which will give a major boost to Mamata Banerjee ahead of the General Elections in 2019.

BJP had campaigned aggressively for the municipal elections which were held on August 13th, though amidst complains of violence and booth-capturing. The opposition parties had demanded scrapping of the municipal elections.

BJP has been attacking Mamata Banerjee and TMC over the corruption cases and law and order issues. It harped on scams like Narada, Sarada and Rose Valley.
The party also strived hard to publicize the developmental programs of the Modi government.

However, these efforts seem to have made no mark in the municipal elections. 

In reality the communal campaign made by BJP and the vindictive attitude they are showing by using central agencies plus the way their Bhakts (BJP-IT cell) trolling abusively and aggressively resulting a negative wave against them.


One thing is clear now Mamata Banerjee is coming up as main opposition leader who has popular votes plus guts to fight against BJP & it's agencies.

Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. 
Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.

Tuesday, July 11, 2017

Gorkhaland is an age old anti-Indian China-Nepal (Communist-Maoist) plan and it’s a threat to India’s security as it’s a first step towards Greater Nepal including Sikkim. Government of India & specially ruling party BJP should consider national interest first than 1-2 odd Loksabha seats for NDA.

Opposing Gorkhaland Movement is not equating it to opposing Hindi/Nepali/Bengali. 

It’s sad that BJP & their trollers (Paid??) are abusing Bengal & Bengalis (also TMC and Mamata Banerjee) day night in the name of Gorkhaland & Indianism. 

Gorkhaland is an age old China & Nepal (communist-Maoists) joint plan and as per their map its start from Gorakhapur & extends up-to Sikkim & Darjeeling!  50% Nepalese migrants & 30% Tibetans.

 
  China lover Nepal's claims on Indian Territory aka "Greater Nepal" include both Sikkim and the so-called Gorkhaland region. 
 
Grand plan-map of Greater Nepal is including Gorkhaland upto Gorakhpur & Sikkim! Darjeeling has Nepalese migrants & Tibetan refugees.

I was telling it since long, we shouldn't fulfil dream of Nepali Maoists & China.
They want #Darjeeling + #Sikkim + #Nepal = #GreaterNepal

Actually China wants to severe India's entire North-eastern region from the Indian mainland by cutting off the Siliguri Corridor / the Chicken's Neck.

And this Gurkhaland / Darjeeling region is situated right within this extremely sensitive Siliguri Corridor or the Chicken's Neck area.

China's Nepali allies are helping their Chinese paymasters in every way possible. India should treat this matter with extreme caution.

Very surprising that Gorkha & Sanghi Parivar finds it very suitable to label Bengalis as a timid community & all are from Bangladesh. 


(Those who doubt Lord Curzon is Nepali or not may see my next pics here)
 
It is done with an agenda with a vested interest, and is it not natural for Bengalis to protest against this agenda?


It must be remembered that during the Freedom Struggle Bengalis & Punjabis had been the major participants/contributors in the historic freedom struggle of India.

Bengal has given the Real Indian Liberator Netaji Subhas Chandra Bose, a Bengali (Tagore) has given the Nation its National Anthem and who can forget another Bengali Bankimchandra gave India Vandemataram.

Even this BJP (Then Janasangha) established by a Bengali.
Also Bengali Sri Ramakrishna Paramhansha & Swami Vivekananda have shown the way to Hindus/Indians.

In the Indian Army there are many Bengali Soldiers protecting our country, some in higher designations, which may also increase if we count it. 
We have given the Indian Army two Army Chiefs & two Air Chiefs. 

The Gorkhas are giving example of Gorkha Soldiers, true they are... But remember they are Rented Soldiers in Indian & British Army. 
Indian Army has also pension office for retired Gorkhas in Nepal.

Jung Samsher Bahadur Rana was also helped British to combact the "Sipahi Bidroho/ Sipoy Mutiny" in 1857, by sending 2 lc Gorkha soldiers.

Jaliwanawala Bag massacre was done by the Gorkhas on the behest of the Gen. Dyer. 

Gorkhas were the most brutal on Indian Freedom fighters.
The Gorkhas still support China if needed (See the photos) & they are also part of the British Army.


The truth is, China is silently supporting this Darjeeling Sikkim Gorkhas/Nepalese to be united. Once done then separate country , then Greater Nepal. 

And in the long run this Greater Nepal will be transformed into North Korea. This will ensure that China has its first line of defense in Indian front.
Remember by enlarge “land” or “sthan” cannot be a state name but a country name. 

So it’s a warning bell to those who forgets or behaves oblivion to the fact given above and abuses their mother land and Bengal & Trinamool plus Mamata Banerjee, they are actually fulfilling Chinese & Nepali Maoist agenda against India by degrading Bengalis, Bengal & India.

Hope my readers will understand the threats and as proves I’m herewith attaching some pictures/screenshots which shows how much Anti-Indian & Pro-Chinese these Gorkhaland supporters are.  

গোর্খাল্যান্ড একটি পুরাতন ভারতবিরোধী চীন নেপাল (কমিউনিস্ট-মাওবাদী) যৌথ পরিকল্পনা এবং এটি ভারতের নিরাপত্তার জন্য বিপদ। কারণ এটি সিকিমসহ বৃহত্তর নেপালের দিকে একটি প্রথম পদক্ষেপ।
ভারত সরকার এবং বিশেষভাবে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি জাতীয় স্বার্থ কে অগ্রাধিকার দিতে হবে একটি বা দুটি লোকসভা আসন এর চেয়ে ।

গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনকে বিরোধিতা করা মানে হিন্দী / নেপালি / বাংলা বিরোধিতা করা নয়। এটা দুঃখজনক যে বিজেপি এবং তাদের ট্রলার (পেড ??) গোর্খাল্যান্ড ও ভারতীয়তাবাদের নামে বাংলার বাঙালিদের (সঙ্গে তৃণমূল ও মমতা ব্যানার্জীকে) দিবারাত্র অপমান করছে।
গোর্খাল্যান্ড হচ্ছে একটি পুরানো চীননেপাল (কমিউনিস্ট-মাওবাদী)দের পরিকল্পনা যা মানচিত্রে  - গোরখপুর হতে দার্জিলিং এবং সিকিম পর্যন্ত বিস্তৃত!


চীনের দালাল নেপালের ভারতীয় নেপালি অঞ্চলের লোকেরা "বৃহত্তর নেপাল  চায় -এ
দাবীর মধ্যে সিকিম এবং তথাকথিত গোর্খাল্যান্ড অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত।দার্জিলিং এ মূলত 50% নেপালী অধিবাসী এবং 30% তিব্বতী অধিবাসী।




আমি এটা দীর্ঘদিন ধরে বলছি, আমাদের নেপালি মাওবাদ ও চীনের স্বপ্ন পূরণ করতে দেওয়া ঠিক হবে না।
তারা চায় # দার্জিলিং + # সিকিম + # নেপাল = # বৃহত্তর নেপাল

প্রকৃতপক্ষে  শিলিগুড়ি করিডোর কাটিয়ে চীনের ভারতীয় প্রধান ভূখণ্ড থেকে ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে প্রবেশ করাই চীনের মূল উদ্দেশ্য।

এবং এই গোর্খাল্যান্ড/দার্জিলিং অত্যন্ত সংবেদনশীল শিলিগুড়ি করিডোর বা চিকেন এর নেক এলাকায় ডানদিকে অবস্থিত
চীন এর নেপালি সহযোগীগণ তাদের সম্ভাব্য সব উপায়ে তাদের চীনা paymasters সাহায্য করা হয়। ভারতের এই বিষয়ে অত্যন্ত সতর্কতার  সঙ্গে চলা উচিত।

খুব আশ্চর্যজনক যে গোর্খা এবং সংঘ পরিবার (বিজেপি) চায় দেশদ্রোহী সম্প্রদায় হিসেবে বাঙালিদের লেবেল দেওয়া ও তারা প্রচার করে আমরা বাঙ্গালিরা সবাই বাংলাদেশ থেকে এসেছি।
এটি একটি বিশেষ উদ্দেশ্যপূর্ণ এজেন্ডা নিয়ে করা হচ্ছে এবং সকল বাঙ্গালীর এটি প্রতিবাদ করা উচিত।


এটা মনে রাখা উচিত যে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বাঙালি ও পাঞ্জাবিরাই ভারতের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান অংশীদার ছিল।
ভারতকে সত্যিকারের স্বাধীনতা বাঙালি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু  দিয়েছেন, এক বাঙালি (রবীন্দ্রনাথ) দেশকে তার জাতীয় সংগীত দিয়েছেন এবং অন্য বাঙালি বঙ্কিমচন্দ্র ভারতকে বন্দেমাতারাম দিয়েছেন তা কিকরে ভারতবাসী ভুলে যেতে পারেন?

এমনকি এই বিজেপি (তখন জনসংঘ) এক বাঙালি (শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস ও স্বামী বিবেকানন্দ  হিন্দু / ভারতীয়দের পথ দেখিয়েছেন।

ভারতীয় সেনাবাহিনীতে অনেক বাঙালি সৈন্যরা আমাদের দেশকে সুরক্ষিত রাখে, অনেকেই  সেনার উচ্চতর পদে আসীন রয়েছেন। আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীকে দুটি সেনাপ্রধান ও দুটি বায়ুসেনাপ্রধান প্রদান করেছি। 

গোর্খারা গোর্খা সৈনিকের উদাহরণ তুলে ধরেছে কিন্তু তাদের মনে রাখা উচিত তারা ভারতীয় ও ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ভাড়াটে সৈন্য। ভারতীয় সেনাবাহিনী নেপালের অবসরপ্রাপ্ত গোর্খার জন্য নেপালে পেনশন অফিস ও আছে।

১৮৫৭ সালে জং শামসের বাহাদুর রানা সিপাই বিদ্রোহ দমন করার জন্য দু লাখ গোর্খা সৈন্য পাঠিয়ে ব্রিটিশদের সাহায্য করেছিলেন।

জালিয়ানয়ালাবাগ এ জেনারেল ডাযার এর হুকুম তামিল করতে মুলত গোর্খারাই গুলি চালিয়েছিল। ভারতীয় স্বাধীনতা  আন্দোলনকারীদের প্রতি সবথেকে বেশী নির্মমতা এই গোর্খারাই করেছিল। গোর্খারা এখনও চীনকেই সমর্থন করে, কিছু ছবি দেয়া হল । গোর্খারা ব্রিটিশ আর্মীর অংশ।

এমনকি চীনের উস্কানীতে গোর্খারা দার্জিলিং ও সিকিম এক করতে চাইছে। তারপর আলাদা দেশ যা হবে নেপালের সঙ্গে মিশে গ্রেটার নেপাল। এটি হবে চীনের প্রতিরক্ষার প্রথম লাইন।

"জমি" (Land) বা "স্থান" (Sthan) সাধারণত একটি রাজ্যের (State) নাম হতে পারে না এটি দেশের নাম।
সুতরাং যারা এই সকল সত্যকে ভুলে গিয়ে তাদের মাতৃভূমি কে শত্রুর হাতে তুলে দিচ্ছেন তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গালাগাল দিয়ে সুখ পাচ্ছেন তারা আসলে ভারতের বিরুদ্ধে চীনা ও নেপালি মাওবাদী কর্মসূচি পরিপূর্ণ করছে।

আশা করি আমার পাঠকরা সত্য বুঝতে পারবে এবং আমি কিছু ছবি / স্ক্রিনশটগুলি সংযুক্ত করছি যা দেখায় যে, গোর্খাল্যান্ড সমর্থকরা কতগুলি এন্টি ইন্ডিয়ান ও প্রো-চীনা। 

বাংলা অনুবাদের কিছু ভুল হলে ক্ষমা করবেন।


Please see other posts in this blog page by clicking "Home" or from "My Favorite Posts" / "Popular Posts" / "Archives" sections, and if any remarks please feel free to post. 
Thanks & Vande Mataram!! Saroop Chattopadhyay.